বান্দরবন জেলার নীলগিরিতে মানবকথা মানবকথা প্রকাশিত: ৬:৪৩ অপরাহ্ণ, আগস্ট ১৪, ২০২৪ বান্দরবন জেলার নীলগিরিতে বান্দরবান জেলা বাংলাদেশের দক্ষিণ পূর্বাঞ্চলে অবস্থিত চট্রগ্রাম বিভাগের একটি প্রশাসনিক অঞ্চল। এটি একটি পার্বত্য জেলা। এটি ১৮ এপ্রিল ১৯৮১ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। মোট আয়তন ৪৪৭৯.০২ বর্গ কিলোমিটার। ২০২২ সালের আদমশুমারি অনুযায়ী মোট জনসংখ্যা ৪৮০৬৪২ জন, পুরুষ ২৪৬৫৯০ জন, মহিলা ২৩৪০৩৫ জন, জনসংখ্যার ঘনত্ব ১০৭ জন প্রতি বর্গকিলোমিটারে। অন্যান্য জাতির পাশাপাশি মারমা, চাকমা, চাক, বম, মুরং, এিপুরা, লুসাই প্রভৃতি ক্ষুদ্র নৃ গোষ্ঠীর বসবাস রয়েছে। বাংলা ভাষা ছাড়াও স্থানীয় চাটগাঁইয়া ভাষায় কথা বলে। এছাড়াও অন্যান্য ক্ষুদ্র নৃ জাতিগোষ্টীর ভাষা হিসেবে মারমা, এিপুরা, বম, লুসাই, চাকমা ইত্যাদি প্রচলিত আছে। দর্শনীয় স্থান গুলো যেমন কিয়াচলং লেক, কেওক্রাডং, চিম্বুক পাহাড় ও পাহাড়ি গ্রাম, চিডিং ঝর্না, ডিম পাহাড়, তাজিংডং, নীলগিরি পর্যটন, নীলাচল ইত্যাদি। এত কিছু আছে সুবাদে মনে জাগে কোন একদিন বান্দরবান জেলায় ভ্রমণের স্বপ্ন। সেই সুবাদেই কোন এক সময় স্বপ্ল সময়ের জন্য নীলগিরিতে আসা। প্রকৃতির অপরুপ দৃশ্যে সুসজ্জিত বান্দরবনের নীলগিরি, যেন অপরূপ শোভা ছড়িয়েছে। মেঘে মেঘে লুকাচুরি খেলা। মনে হচ্ছে মেঘ যেন হাতছানি দিয়ে ডাকছে। মনে হচ্ছে মেঘের মধ্যে ভেসে বেড়াই। সৃস্টির অপূর্ব রহস্য। মহান সৃষ্টিকর্তার সৃষ্টি যেন অতুলনীয়, অসীম। প্রকৃতির রহস্য উপভোগ করার জন্য কোন এক সময় কক্সবাজার হতে বান্দরবনের নীলগিরিতে ঘুরতে গিয়েছিলাম। উদ্দেশ্য ছিল কাছাকাছি থেকে প্রকৃতির দৃশ্য সশরীরে অবলোকন করা। কক্সবাজার হতে যাওয়ার পথে রাস্তার দুপাশে প্রকৃতির শোভা যেন ছড়িয়ে পড়েছে। ছোট ছোট পাহাড়ের রাস্তা পেরিয়ে নীলগিরিতে আগমন। এ যেন অন্যরকম অনুভূতি। যেয়ে দেখি দেশি বিদেশি অনেক পর্যটকের আগমন ঘটেছে, ঘটাই স্বাভাবিক। কেউবা পরিবার, কেউ বা বন্ধু বান্ধবী দের নিয়ে এসেছেন ঘুরতে। যেন পর্যটকে ভরপুর। এ যেন এক মহা মিলন মেলা। ঘুরার পাশাপাশি প্রাকৃতিক দৃশ্য সহ বিচিত্র ধরনের সবকিছু অবলোকন করা। সে যাক, আসি অন্য প্রসঙ্গে। পর্যটন কেন্দ্র কে ঘিরে গড়ে উঠেছে ছোট বড় দোকান সহ ব্যবসা প্রতিষ্ঠান। পর্যটকরা নিজেদের পছন্দ অনুযায়ী প্রয়োজনীয় জিনিস পএ সংগ্রহ করছে দোকান হতে। কেনা সহ সেবা ও পাচ্ছে। স্থানীয় দের কৃস্টি কালচার, ভাষা, সংস্কৃতি কিছুটা হলেও আমাদের হতে ভিন্ন। তাও ভালো লাগে, লেগেছে। হাজার হলেও আমরা একই দেশের বাসিন্দা। পর্যটন কে ঘিরে সৃস্টি হয়েছে কর্মসংস্থান, বাড়তি আয়ের সুযোগ, অবকাঠামো ইত্যাদি। এছাড়াও হচ্ছেউন্নয়ন মূলক কাজ। বিদেশি পর্যটকের দরুন দেশের সুনাম যেমন ছড়িয়ে পড়েছে বাইরে, তেমনি বাড়ছে পর্যটক আসার প্রবনতা। তাইতো মনে প্রকৃতির অপরুপ দৃশ্য, শোভা ও বিভিন্ন জনের সংস্পর্শে আসা, এ যেন হৃদয়ে ও মনে প্রচুর নাড়া দেয়। বার বার ভেসে আসে স্মৃতি গুলো, তাইতো ইচ্ছে করে যেতে বার বার। আশা করছি পর্যটন এলাকা আরো সমৃদ্ধি হবে, এটাই প্রত্যাশা। এ যেন এক বিচিএ সামান্য অভিজ্ঞতা। তাইতো বলি ভ্রমন মানে আনন্দ, উল্লাস, যেন কিছু সময়ের জন্য হলেও নিজেকে ভূলে থাকা। মনে হয় যেন জীবনের ক্লান্তি কিছুটা দূর হল, তাইতো আরো অনেক দিন বাঁচার কামনা ও বাসনা মনে জাগে। SHARES অবসর-পর্যটন বিষয়: