পাকিস্তানি জাহাজে যা যা এলো : জাহাজে কোনও অস্ত্র ছিল না মানবকথা মানবকথা প্রকাশিত: ৯:৫২ অপরাহ্ণ, নভেম্বর ১৬, ২০২৪ অনলাইন ডেস্ক : বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর প্রথমবারের মতো পাকিস্তানের করাচি থেকে কন্টেইনার বহনকারী জাহাজ সরাসরি এসে ভিড়েছে বাংলাদেশের চট্টগ্রাম বন্দরে। গত কয়েকদিন ধরে এ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ও গণমাধ্যমে অনেক আগ্রহ তৈরি হয়েছে। তবে এবার কি কি আনা হয়েছে তা জানতে কথা হয় কাস্টমস ও শিপিং কোম্পানিগুলোর সাথে। বিভিন্ন সূত্র থেকে পাওয়া তথ্যমতে পাকিস্তান থেকে আনা পণ্যগুলোর ওজন ৬ হাজার ৩৩৭ টন। এসব পণ্যের মধ্যে ১১৫টি কনটেইনার রয়েছে টেক্সটাইল শিল্পের কাঁচামাল হিসেবে ব্যবহৃত হওয়া সোডিয়াম কার্বনেট বা সোডা অ্যাশ। ৪৬টি কনটেইনারে আছে খনিজ পদার্থ ডলোমাইট, ৩৫টি কনটেইনারে রয়েছে চুনাপাথর, ২৮টি কনটেইনারে রয়েছে পোশাকশিল্পের কাঁচামাল কাপড় ও রং, ১০টি কনটেইনারে রয়েছে কাঁচশিল্পের কাঁচামাল ভাঙ্গা কাঁচ, ছয়টি কনটেইনারে রয়েছে ম্যাগনেসিয়াম কার্বনেট এবং একটি কনটেইনারে রয়েছে গাড়ির যন্ত্রাংশ। শিল্পের কাঁচামাল ছাড়াও ৪২টি কনটেইনারে ৬১১ টন পেঁয়াজ, ১৪টি কনটেইনারে ২০৩ টন আলু আনা হয়েছে রেফার কনটেইনারে (ফ্রিজার কনটেইনার)। এসব পণ্য আমদানি করেছে বাংলাদেশের আজিক গ্লাস কারখানা, প্যাসিফিক জিনস, স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালস, নাসির গ্লাস, এক্স সিরামিকস, হাফিজ করপোরেশন, এম আর ট্রেডিংস ইত্যাদি প্রতিষ্ঠান। মোহাম্মদ সাইদুর রহমান জানান, সবগুলো কন্টেইনার করাচি থেকে জাহাজে লোড হয়নি। কিছু কন্টেইনার দুবাই থেকে জাহাজটিতে লোড করে বাংলাদেশে আনা হয়েছে। পাকিস্তান থেকে জাহাজে লোড হয়েছে ২৯৭টি কন্টেইনার, বাকিগুলো লোড হয়েছে দুবাই থেকে। সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে এসেছে খেজুর, মার্বেল ক্লক, কপার ওয়্যার, জিপসাম, লোহার টুকরো। একটি কন্টেইনারে অ্যালকোহল জাতীয় পণ্যও রয়েছে। এ বিষয়ে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব মোহাম্মদ শফিকুল আলম বলেন, চট্টগ্রামে পাকিস্তানি জাহাজ নিয়ে ভারতীয় মিডিয়ায় যে খবর প্রকাশিত হয়েছে তা পুরোপুরি ভুয়া। ওই জাহাজে কোনও অস্ত্র ছিল না। শিগগির এ ব্যাপারে আমরা স্টেটমেন্ট (বিবৃতি) দিব। SHARES অর্থ-বানিজ্য বিষয়: